আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): ইসলামাবাদে ইরানের দূতাবাসের উদ্যোগে এই সম্মেলন আয়োজিত হয়। ইরানের রাষ্ট্রদূত রেযা আমিরি মোকাদ্দামের নেতৃত্বে পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং গণমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রদূত আমিরি মোকাদ্দাম বলেন, ইসলামি বিপ্লবের শুরু থেকেই আমেরিকা ও তার মিত্ররা ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। কিন্তু ইরান কখনো ফিলিস্তিন প্রশ্নে আপস করেনি এবং জায়নিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।
তিনি শহীদ সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহকে স্মরণ করে বলেন, তার নেতৃত্বে হিজবুল্লাহ ২০০০ সালের বিজয় ও ৩৩ দিনের যুদ্ধে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছিল, যার ধারাবাহিকতা “তোফানুল আকসা” অভিযানে প্রকাশ পায়।
পাকিস্তানি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতারা একবাক্যে বলেন, ইরান নিপীড়িত জাতিগুলোর জন্য সাহসের প্রতীক এবং প্রতিরোধ ফ্রন্টের শক্তির উৎস। তারা শহীদ নাসরুল্লাহ, শহীদ সোলাইমানি, এবং ফিলিস্তিনি নেতাদের ত্যাগকে ইসলামের প্রতি সর্বোচ্চ নিবেদন হিসেবে বর্ণনা করেন। বক্তারা মুসলিম উম্মাহর ঐক্যকে সময়ের প্রধান চাহিদা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, আমেরিকা ও ইসরায়েলি আগ্রাসন মোকাবেলায় ঐক্যই হলো প্রকৃত অস্ত্র।
Your Comment